‘এই ছবির মইধ্যে কী আছে? মানুষ এমনভাবে আহে কেন?’ প্রশ্নটি ছিল স্টার সিনেপ্লেক্সের একজন নিরাপত্তারক্ষীর। থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবির প্রদর্শনী যেখানে, সেখানেই মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শুধু যে ঢাকা শহরে এমন দৃশ্য তা নয়, ঢাকার বাইরের প্রেক্ষাগৃহেও একই চিত্র।

গত শুক্রবার মোট ছয়টি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। টিকাটুলীর অভিসার প্রেক্ষাগৃহের ব্যবস্থাপক কবীর জানান, দর্শকের উপস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এক মাসেও ছবিটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামাতে পারব না।
বুকিং এজেন্ট অজিত নন্দী জানান, রাজশাহীতে প্রতিটি প্রদর্শনীই দর্শকপূর্ণ হচ্ছে এবং তিন গুণ মূল্য দিয়ে টিকিট কিনে মানুষ ছবিটি দেখছে।
শাহীন প্রেক্ষাগৃহে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সেখানেও একই চিত্র। অপরদিকে শুক্রবার বলাকা প্রেক্ষাগৃহে টিকিটের জন্য দর্শকদের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
এ তো গেল প্রেক্ষাগৃহগুলোর চিত্র। এ খবর যখন জানাজানি হওয়ার পর বিভিন্ন জেলা শহরের বড় বড় প্রেক্ষাগৃহের মালিকেরা ছবিটি নেওয়ার জন্য তাঁদের বুকিং এজেন্টদের বলেছেন। ছবিটির পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান আশীর্বাদ কথাচিত্রের কর্ণধার হাবীব খান জানিয়েছেন, প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী শুক্রবার থেকে অনেকগুলো প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি দিতে হবে।
ছবির পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘দর্শকদের যে বাঁধভাঙা জোয়ার আমি দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে, দর্শক ভালো ছবি দেখতে চায়। আমি আবারও সবার উদ্দেশে বলব, আপনারা সপরিবারে ছবি দেখতে আসুন। প্রেক্ষাগৃহ আপনার, আমার, সবার। আপনারা ছবিঘরে এলেই, সিনেমাকে আমরা আরও বড় জায়গায় নিয়ে যেতে পারব।’