Feeds:
Posts
Comments

বাংলাদেশে শেখ মুজিব হত্যা মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত পাঁচজনকে ফাঁসি দেয়ার পর তাদের দাফন করা হয়েছে|
বুধবার মধ্যরাতের পরপরই ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর, তাদের মৃতদেহ যারা যার গ্রামের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়|
দাফনের সময় প্রতিটি জায়গাতেই ৠাব ও পুলিশের সমন্বয়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছিল|
এর আগে, বুধবার এই মামলর রায় পূন:বিবেচনার জন্য এই পাঁচ আসামীর আবেদন সুপ্রীম কোর্টে খারিজ হওয়ার পর ফাঁসি কার্যকর করার পথে আইনগত সব বাঁধা হয়ে যায়|
শেখ মুজিব হত্যা মামলার রায় কার্যকর হতে শুরু করায়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্বভাবতই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষও বলেছেন এখন তাদের আশা প্রতিটি রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের যেন বিচার শেষ হয় |

‘এই ছবির মইধ্যে কী আছে? মানুষ এমনভাবে আহে কেন?’ প্রশ্নটি ছিল স্টার সিনেপ্লেক্সের একজন নিরাপত্তারক্ষীর। থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবির প্রদর্শনী যেখানে, সেখানেই মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শুধু যে ঢাকা শহরে এমন দৃশ্য তা নয়, ঢাকার বাইরের প্রেক্ষাগৃহেও একই চিত্র।

গত শুক্রবার মোট ছয়টি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। টিকাটুলীর অভিসার প্রেক্ষাগৃহের ব্যবস্থাপক কবীর জানান, দর্শকের উপস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এক মাসেও ছবিটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামাতে পারব না।
বুকিং এজেন্ট অজিত নন্দী জানান, রাজশাহীতে প্রতিটি প্রদর্শনীই দর্শকপূর্ণ হচ্ছে এবং তিন গুণ মূল্য দিয়ে টিকিট কিনে মানুষ ছবিটি দেখছে।
শাহীন প্রেক্ষাগৃহে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সেখানেও একই চিত্র। অপরদিকে শুক্রবার বলাকা প্রেক্ষাগৃহে টিকিটের জন্য দর্শকদের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
এ তো গেল প্রেক্ষাগৃহগুলোর চিত্র। এ খবর যখন জানাজানি হওয়ার পর বিভিন্ন জেলা শহরের বড় বড় প্রেক্ষাগৃহের মালিকেরা ছবিটি নেওয়ার জন্য তাঁদের বুকিং এজেন্টদের বলেছেন। ছবিটির পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান আশীর্বাদ কথাচিত্রের কর্ণধার হাবীব খান জানিয়েছেন, প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী শুক্রবার থেকে অনেকগুলো প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি দিতে হবে।
ছবির পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘দর্শকদের যে বাঁধভাঙা জোয়ার আমি দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে, দর্শক ভালো ছবি দেখতে চায়। আমি আবারও সবার উদ্দেশে বলব, আপনারা সপরিবারে ছবি দেখতে আসুন। প্রেক্ষাগৃহ আপনার, আমার, সবার। আপনারা ছবিঘরে এলেই, সিনেমাকে আমরা আরও বড় জায়গায় নিয়ে যেতে পারব।’

আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী সংস্থা, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বলছে দূর্নীতি নিয়ে উন্নত দেশগুলোর আত্মতৃপ্তির কোন অবকাশ নেই, কারন এসব দেশেও ব্যবসা খাতে ঘুষের লেনদেন চলে|
বিশ্বের ১৮০টা দেশে দূনীতির ধারনাগত সূচকের ওপর বাৎসরিক রিপোর্টে ট্রান্সপারেন্সি উন্নয়ন সাহায্যের অর্থ ব্যয়ের প্রক্রিয়ার আর স্বচ্ছ করার পরমর্শ দিয়েছে|

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দূর্নীতির ধারনাগত সূচকের তালিকায় চলতি বছর বাংলাদেশের অবস্থান ১৩ নম্বরে|

গত বছর বাংলাদেশ এই তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল৻ এর আগে পর পর চারবার বাংলাদেশ এই তালিকার শীর্ষে ছিল|

বাংলাদেশের দূর্নীতির ধারনার উন্নতি হলেও, সেদেশে এখনও ব্যাপক দূর্নীতি রয়েছে বলে এই রিপোর্টে বলা হয়েছে|

ঢাকা থেকে সংবাদদাতা শেখ সাবিহা আলম জানাচ্ছেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বলছ সর্বসাম্প্রতিক এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের যে অগ্রগতি তা উল্লেখযোগ্য, বিশ্বের আর মাত্র আটটি দেশ এতটা উন্নতি করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ অংশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলছিলেন যদিও এখনও বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি এবং মোট ১৮০টি দেশের মধ্যে এর অবস্থান ১৩৯ তম, তবু দক্ষিণ এশিয়ার সবকটি দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই দুর্নীতির প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

টিআই এই প্রতিবেদনটিতে, ২০০৮ এ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কাল এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম নয় মাসের কাজের মূল্যায়ন করেছে।

২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার দুর্নীতি বিরোধী অভিযান ও কিছু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং কোন কোন ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা পূরণের চেষ্টা, যেমন সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন, তথ্য অধিকার আইন পাস ইত্যাদি এই অগ্রগতির নিয়ামক বলে বিবেচিত হয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কান্ট্রি পারফর্মেন্স এ্যাসেসমেন্ট রেটিংস ২০০৮, বার্টেলসম্যান ফাউন্ডেশনের বার্টেলসম্যান ট্রান্সফর্মেশন ইনডেক্স ২০০৯, ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট পরিচালিত কান্ট্রি রিস্ক সার্ভিস এ্যান্ড কান্ট্রি ফোরকাস্ট ২০০৯, আইএচএস গ্লোবাল ইনসাইট-এর গ্লোবাল রিস্ক সার্ভিস ২০০৯, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি পলিসি এ্যান্ড ইন্সটিটিউশনাল এ্যাসেসমেন্ট ২০০৮, এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এর গ্লোবাল কমপিটিটিভনেস রিপোর্ট ২০০৮-২০০৯ এর জরিপের ভিত্তিতে এই ধারণাসূচকটি রচিত হয়েছে। তথ্যের মূল প্রতিপাদ্য দুর্নীতি ও ঘুষের আদান-প্রদান।

তবে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ, আশংকা প্রকাশ করে বলেছে, সম্প্রতি গণখাতে ক্রয় সংক্রান্ত নীতিমালার পরিবর্তন, তথ্য অধিকার কমিশন কার্যকর না হওয়া, সংসদে বিরোধী দলের অনুপস্থিতি ইত্যাদি কারণে দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশের অবস্থান বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনী ৠাবের হাতে তথাকথিত ক্রসফায়ারের আইনগত বৈধতা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে সেদেশের আদালতেই|
হাইকোর্ট মঙ্গলবার স্বত:প্রনোদিত হয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছে, মধ্যাঞ্চলীয় জেলা মাদারীপুরে গতকাল ক্রসফায়ারে দুই ব্যাক্তির মৃত্যুকে কেন আইন বহির্ভূত ঘোষনা করা হবে না?

এই দুটি মৃত্যুর ব্যাপারে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে খবর ছাপা হওয়ার পর বিচারপতি এএফএম আবদুর রহমান ও বিচারপতি ইমদাদুল হকের বেঞ্চ সরকারের প্রতি এই শোকজ আদেশ জারী করেন|

মাদারীপুর জেলায় শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী লু্ৎফর খালাসি এবং তার ভাই খায়রুল খালাসি, এই দুজনকে ৠাব আটক করেছিল গত শুক্রবার৻ এরপর রোববার রাতে তাদের মৃত্যু হয়|

ৠাব এর হাতে কথিত ক্রসফায়ারে ঐ দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে তাদের আত্নীয়স্বজনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতেই হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ স্বত:প্রনোদিত হয়ে সরকার এবং ৠাবকে কারন দর্শানোর নোটিশ জারি করেন|

ঐ মৃত্যুর ঘটনাকে কেন আইন বহির্ভূত ঘোষনা করা হবে না, সেই মর্মে হাইকোর্টের ঐ নোটিশের ব্যাপারে এখন সরকার ও ৠাবকে ৪৮ঘন্টার মধ্যে জবাব দিতে হবে|
এই নোটিশ জারির ক্ষেত্রে হাইকোর্ট পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরকে ভিত্তি হিসেবে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছে|

সরকার পক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সংবাদমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে এই আদেশের সমালোচনা করেছেন|

হাইকোর্ট এই নোটিশ জারি করার পর মঙ্গলবারই সাংবাদিকদের কাছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন দাবি করেছেন , ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কথিত ক্রসফায়ারে কারো মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি|

তবে দেশের শীর্ষ পর্যায়ের একটি মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলেছে , সংবাদমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে গত জানুয়ারি মাস থেকে এপর্যন্ত ১১২টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের তথ্য তাদের কাছে রয়েছে|

ওদিকে সরকারি আইন কর্মকর্তারা বলেছেন, আদালতের নোটিশের ব্যাপারে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব দেওয়ার চেষ্টা করবেন|

মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেক্সাসে সেনাবাহিনীর এক ঘাঁটিতে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে তেরোজনকে হত্যা করার দায়ে সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা সামরিক হেফাজতে হাসপাতালে আছেন|
ওই সামরিক ঘাঁটি ফোর্ট হুডের সেনাধ্যক্ষ বলছেন সেনাবাহিনীর এই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মেজর নিদাল মালিক হাসান একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে অন্যান্য সৈনিকদের ওপর গুলি চালতে শুরু করেন এবং পরে অবশ্য তিনি নিজেই গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন|

ফোর্ট হুড বিশ্বের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম|

সাড়ে আটশো বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এই ঘাঁটীতে প্রায় ৪৫ হাজার সৈন্য ও সামরিক কর্মকর্তার বসবাস যদিও এদের মধ্যে অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েণ রয়েছেন|

ইরাক ও আফগানিস্তানে যে মার্কিন বাহিনী রয়েছে তার একটা বড় অংশই ফোর্ট হুড থেকে পাঠানো হয়েছে|

আর এর একটা বড় প্রভাব ফোর্ট হুড ও তার আশপাশের জায়গাগুলোতে পরিলক্ষিত হয়ে থাকে|

ফোর্ট হুডের শত শত মার্কিন সৈন্য সংঘাতের বিভিন্ন জায়গায় প্রাণ দিয়েছেন, যাদের প্রতিবছর স্মরণ করা হয়ে থাকে স্থানীয় স্কুল বা অন্য এমন সব জায়গায় যেখানে স্বজন হারানো লোকজন নিয়মিত গিয়ে থাকেন|

ফোর্ট হুডে যে হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে তার কারণ নিয়ে তদন্তকাজ শুরু হয়েছে, কিন্তু আপাতভাবে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তার ভিত্তিতে এর পেছনে মার্কিন সেনাবাহিনীর একজন মেজরের হাত রয়েছে বলে বলা হচ্ছে|

মার্কিন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল বব কোন বলছেন, প্রাথমিকভাবে এর পেছনে একজনই রয়েছেন যিনি একাধিকবার গুলি ছুঁড়েছেন|

যদিও আগে বলা হয়েছিল ঐ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, কিন্তু জেনারেল বব কোনের কথায়, তিনি এখন নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল|

টেক্সাসে বিবিসি-র সংবাদদাতা রাজেশ মিরচন্দানি বলছেন, ৩৯-বছর বয়সী মেজর নাদিল মালিক হাসান একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ যিনি যুদ্ধক্ষেত্রে থেকে ফেরৎ যাওয়া মার্কিন সৈন্যদের চিকিৎসা করেন|

গত ছয় বছর ধরে তিনি অন্য একটি সামরিক কেন্দ্রে এই কাজ করেছেন এবং মাত্র ছয় মাস আগেই তাকে ফোর্ট হুডে বদলি করা হয়েছে|

বিবিসি-র এই সংবাদদাতা বলছেন, যারা মেজর হাসানকে ঘণিষ্টভাবে জানেন তারা হলফ করে বলছেন তিনি মোটেই কট্টরপন্থী নন|

মি: কনস্টানাপোওলুস মেজর হাসানের একজন সাবেক প্রতিবেশী ম্যারিল্যান্ডের একজন বাসিন্দার কথায়, যখনই দেখা হত তখনই তিনি তাঁর সাথে হেসে কথা বলতেন – অনেক বই দিতেন পড়তে বিশেষ করে চিকিৎসা সংক্রান্ত বইপত্র |

তিনি বলছেন, মেজর হাসানকে তার বেশ ভালো লোক বলেই মনে হত বলছেন তার সাবেক প্রতিবেশী|

মার্কিন টেলিভিশনে মেজর হাসানের যে সাবেক সহকর্মীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে তারা অবশ্য বলেছেন, মেজর হাসানের পরিচয়ের মধ্যে জাতি-বর্ণের যে ছাপ রয়েছে তা নিয়ে যেসব মন্তব্য করা হত সেব্যাপারে তিনি অখুশি ছিলেন|

এছাড়া তাকে ইরাকে পাঠোনো হোক এটা তিনি একেবারেই চাননি বলেও তারা মন্তব্য করেছেন |

বস্তুত, ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক ভুমিকা নিয়েও ক্ষুব্ধ ছিলেন তিনি|

ঘটনার পেছনে কারণ যাই হোক না কোনো, ফোর্ট হুডের এই ঘটনা যে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন ভূমিকাকে আরেকটা বিতর্কের আবর্তে নিয়ে গেল তা নিয়ে বোধহয় সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই|

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দেশে উনিশশো বাহাত্তরে প্রণীত প্রথম সংবিধানে আবার ফেরৎ যাওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন|
জাতীয় সংসদে তিনি আরো বলেন সেই সংবিধানেই জাতির আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছিলো এবং সে কারনে সেই সংবিধান আবার জাতীর সামনে উপস্থাপন করা উচিত|

তবে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর কোনো ইস্যু থাকলে তা বিবেচনা করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন| তিনি বলেন যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রণীত সংবিধানে অনেক কাটাছেঁড়া করা হয়েছে এবং এক্ষেত্রে অনেকগুলোর ব্যাপারে সংশোধন হওয়া উচিৎ| এর আগে স্পীকার আব্দুল হামিদ সংসদকে জানান বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করর পর, উনিশশো বাহাত্তর সালের চৌঠা নভেম্বরই প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়েছিলো এবং তারপর থেকে সব মিলিয়ে চৌদ্দটি সংশোধনী আনা হয় সংবিধানে|

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে আফগান পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণের সময় জনৈক পুলিশকর্মীর গুলিতে পাঁচজন ব্রিটিশ সৈন্য নিহত হয়েছেন| এই ঘটনায় তিনজন আফগান নাগরিকও প্রাণ হারান৻
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মী ঐ জায়গাতেই গুলি চালাতে শুরু করেন| তার সাথে আরো কেউ জড়িত কিনা, ব্রিটিশ ও আফগান সরকার তা তদন্ত করে দেখছে| গুলি চালানোর পর ঐ পুলিশ কর্মী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন|
নেটোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আফগানিস্তানে পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা| বিবিসি-র একজন সংবাদদাতার কথায়, গুলিচালনার এই ঘটনার কারণে সেই পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে|
এদিকে, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন বলেছেন, আফগানিস্তানে পাঁচজন ব্রিটিশ সৈন্য নিহত হওয়া সত্ত্বেও আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণের কাজ অব্যাহত থাকবে৻ ব্রিটিশ সংসদে মি: ব্রাউন বলেন, আফগান নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী যা করছে তালেবান সদস্যরা তাকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়|
তিনি বলেন, তালেবান বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তারা এই হত্যাকান্ডের পেছনে রয়েছে| তালেবান সদস্যরা সম্ভবত আফগান পুলিশে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে অথবা তারা পুলিশ বাহিনীর একজনকে এই কাজে ব্যবহার করেছে বলে মন্তব্য করেন মি: ব্রাউন|

রাজধানীর অদূরে গাজিপুরের টঙ্গিতে শনিবার সকালে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে দুজনের লাশ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বলেছে, এই ঘটনায় এক কনস্টেবল নিখোঁজ রয়েছেন।

20060523202522garments_060523_203

টঙ্গি থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শনিবার রাতে আমরা টঙ্গি এলাকা থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছি।

“শনিবার সকালে নিপ্পন গার্মেন্টেসের ঘটনাতেই তারা মারা গেছেন। তবে তারা এই কারখানার কোনো শ্রমিক নন।”

সকাল ৯টা থেকে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার সংঘর্ষে টঙ্গির এরশাদ নগর এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে আরো ২৭ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত দেড় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশ দুই শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। পুলিশ গুলি ছোড়ে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিপ্পন গার্মেন্টস নামের ওই পোশাক কারখানার বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ঢাকা-ময়নসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে ১৬-১৭টি গাড়ি ভাঙচুর করে। তারা আরেকটি পোশাক কারখানার স্টাফ বাস এবং একটি মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। অবরোধ ও সংঘর্ষের কারণে দুপুর ১টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ১৯ জনকে আটক করেছে।

শ্রমিকরা দাবি করেছেন, এই ঘটনা তাদের কয়েকজন সহকর্মী নিহত হয়েছেন। পুলিশ তাদের লাশ সরিয়ে ফেলেছে।

তবে সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, “কেউ নিহত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। পুলিশসহ কয়েকজন আহত হয়েছে।”

পুলিশ প্রধান নূর মোহাম্মদ ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, “কারখানাটি গতকাল লে অফ করা হয়। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ তা আমাদের জানায়নি। জানালে এ ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থা এড়ানো যেত।”

সংঘর্ষের সূত্রপাত: নিপ্পন গার্মেন্টেস এর শ্রমিকরা জানায়, পাওনা পরিশোধের আশ্বাসে শ্রমিকরা শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করেছে। শনিবার সকালে তারা কারখানায় এসে দেখেন কর্তৃপক্ষ অর্থনৈতিক মন্দার কারণ দেখিয়ে ৩১ অক্টোবর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত লে- অফ ঘোষণা করে গেটে নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে। নোটিশে ১০ নভেম্বর বেতন পরিশোধের তারিখ উল্লেখ করা হয়।

পারভীন নামে কারখানার এক শ্রমিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মালিক পক্ষ বেশ কিছুদিন ধরেই কারখানা বন্ধ করে দেব দেব করছিল। তবে কারখানা বন্ধ করতে হলে আমাদের আইন অনুযায়ী প্রাপ্য দিতে হবে।”

তিনি জানান, কয়েকদিন আগে তারা সেপ্টেম্বরের বেতন পান।

মাজেদা বেগম নামে আরেক শ্রমিক বলেন, “সকালে কারখানায় এসে দেখি কারখানার গেটে তালা। অথচ আমাদের বেতন পাওনা রয়েছে। এ অবস্থা দেখে শ্রমিকরা তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।”

সংঘর্ষ: পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওপর অবস্থান নেয় এবং গাড়ির টায়ার পুড়িয়ে ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ অবরোধকারীদের মহাসড়ক থেকে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে লাঠিপেটা শুরু করলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় তারা ১৬-১৭টি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং অপর একটি পোশাক কারখানার স্টাফ বাস ও একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে। তারা কয়েকজন পুলিশকে মারধোর করে।

অবস্থা বেগতিক দেখে বিক্ষব্ধ শ্রমিকদের লক্ষ্য করে পুলিশ শটগানের গুলি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এ সময় পার্শ্ববর্তী এরশাদ নগরসহ আশ-পাশের এলাকার সহস্রাধিক লোক শ্রমিকদের সঙ্গে যোগ দেয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে অলি-গলিতে।

দুপুর ১টা পর্যন্ত দফায়-দফায় পুলিশ- শ্রমিক সংঘর্ষ চলতে থাকে। পুলিশ বিভিন্ন গলিতে ঢুকে নির্বিচারে লাঠিপেটা এবং গুলি করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

সংঘর্ষের পর স্থানীয় সাংসদ জাহিদ আহসান রাসেল, পুলিশের মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ, র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) খন্দকার হাসান মাহমুদ, ঢাকা পুলিশ রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোখলেসুর রহমান, টঙ্গি পৌর মেয়র আজমত উল্লাহ খান, যুবলীগ সভাপতি আব্দুল সাত্তার মোল্লা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

হতাহত: সংঘর্ষের কয়েকজন শ্রমিকসহ তিনজন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন শ্রমিকরা। তারা দাবি করেন, পুলিশ ভ্যানে করে নিহতদের লাশ অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় ।

তবে রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন টঙ্গি থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা।

তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে একজনের নাম বাবুল শেখ (৩০)। আরেকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর।

রাতে এএসপি আখতারজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, টঙ্গি থেকে উদ্ধার করা দুটি লাশ ময়না তদন্তের জন্য গাজিপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।

টঙ্গি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন জানান, শ্রমিকদের হামলা ও ইট-পাটকেলের আঘাতে পুলিশের সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (এএসপি) মো. আক্তারুজ্জামান, এসআই আবুল কালাম আজাদসহ অন্তত ২৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতাল ও গাজিপুরের বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর ঢাকা মেডিকেল প্রতিনিধি জানান, দুপুর ১টা পর্যন্ত আহত ১৪ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। এদের বেশিরভাগই শ্রমিক। অন্যরা দোকানি ও রিকশাচালক। তারা সবাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

এরা হলেনÑ পথচারী মো. বিল¬াল হোসেন (২৫), গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তার হোসেন (২৫), সুমি বেগম (২০), আলেয়া বেগম ৩৫), সালেহা বেগম (২০), ফরিদা বেগম (২২), মনোয়ারা বেগম (২৬), আকতার হোসেন (২০), রিকশাচালক মো. আলম (৩৮), বাচ্চু (৪০), বাসের হেলপার সোহেল (২৫), ফুটপাতের পিঠা বিক্রেতা ফজল বেপারি (৬০), হোটেল কর্মচারী সালাম (২০), দিনমজুর রুহুল আমিন (৩২)।

গাজিপুর প্রতিনিধি জানান, নিহত বাবুল শেখ ভ্যান চালক। তার স্ত্রী রোকসানা নিপ্পন গার্মেন্টেসের শ্রমিক। দুই সন্তানসহ এরশাদ নগরে ৫ নম্বর সেক্টরে ভাড়া থাকতেন তারা। স্ত্রীর খোঁজে ঘটনাস্থলে এসে তিনি মারা যান।

গাজিপুরের পুলিশ সুপার মাহফুজুল হক নূরুজ্জামান সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দুইজন মহিলা কনস্টেবলকে পাচ্ছি না। তবে তাদের কী অবস্থা, তা আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।”

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত নিপ্পন গামেন্টস কারখানা ও আশ-পাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। কারখানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছোপছোপ রক্তের দাগ, ইট-পাটকেল, জুতা ও পোশাক ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে।

নিখোঁজ শ্রমিকদের খোঁজে তাদের স্বজনদের কারখানা এলাকা, হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য: সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন দাবি করেন, টঙ্গিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর সরকার কোনো লাশের খবর পায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ওই ঘটনায় আহতদের দেখে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “পুলিশ যদি নির্বিচারে গুলি চালিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সেটি তদন্ত করে দেখা হবে।”

এ ঘটনায় কতজন নিহত হয়েছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সাহারা বলেন, “কেউ নিহত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। পুলিশসহ কয়েকজন আহত হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের রাজারবাগ হাসপাতালে আমি দেখে এসেছি। অন্যদের এখানে দেখে গেলাম।”

বিজিএমইএ’র তদন্ত কমিটি: ঘটনা তদন্তে বিজিএমইএ পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিজিএমইএ সহ-সভাপতি ফারুক হাসানকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- পরিচালক রিয়াজ বিন মাহমুদ, মো. নাসির, শহিদুল্লাহ আজিম ও সংগঠনের সাবেক পরিচালক এস এম মান্নান কচি।

টঙ্গিতে পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় ‘বাইরের’ ইন্ধন থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ সভাপতির বক্তব্য: শনিবার বিকালে বিজিএমইএ ভবনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি সালাম মুর্শেদী বলেন, “এর পেছনে ‘বাইরের’ ইন্ধন থাকতে পারে। অন্য কোনো জায়গা থেকে লোক নিয়ে এসে অস্থির অবস্থা তৈরির চেষ্টা হয়েছে। তদন্ত করলে সঠিত তথ্য বেরিয়ে আসবে।”

তবে ‘বাইরের’ ইন্ধন বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন তা পরিষ্কার করেন নি তিনি।

বকেয়া বেতনের কারণে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়নি দাবি করে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ওই কারখানা তিন মাস ধরে সঙ্কটে থাকলেও বেতন বকেয়া নেই। শ্রমিকদের সঙ্গে শুক্রবার আলোচনার পর কারখানা মালিক শনিবার থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার নোটিশ দেন। তাতে শ্রমিকদের চলতি মাসের বেতন ১০ নভেম্বর নিয়ে যেতে বলা হয়।

ইন্টারনেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন থেকে সবভাষায় ওয়েবসাইটের ঠিকানা লেখার সুযোগ দিতে রাজী হয়েছে | এর ফলে বাংলাতেও ওয়েব পোর্টাল চালু করা এখন সম্ভব হবে |

ইন্টারনেট তদারক করে যে আন্তর্জাতিক সংস্থা – সেই ইন্টারনেট কর্পোরেশন ফর এসাইন্ড নেমস এন্ড নাম্বারস – সংক্ষেপে আই সি এ এন এন এর এক সভায় সোউলে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে যেসব ভাষার উৎস ল্যাটিন নয় – সেগুলোকেও তার নিজস্ব হরফে ওয়েবসাইটের ঠিকানা চালু করার অনুমতি দেওয়া হবে |

এতোদিন ধরে শুধুমাত্র ইংরেজী এবং যেসব ভাষার উত্স ল্যাটিন ভাষা – সেসব ভাষাতেই ইন্টারনেট পোর্টাল চালু রয়েছে| বিশ্বে প্রায় একশো ষাট কোটি লোক রয়েছেন যাঁদের ভাষার উত্স ল্যাটিন নয় – কিন্তু তাঁরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন |

বাংলায় ওয়েবসাইটের ঠিকানা চালু করার এই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করার প্রক্রিয়াটি কী? জানার জন্যে কথা বলেছিলাম বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সভাপতি মোস্তফা জব্বারের সাথে৻ তাঁর কাছে প্রথমেই জানতে চেয়েছিলাম আই সি এ এন এন এর সিদ্ধান্তের পর এখন কবে বাংলায় ঠিকানা লেখা ওয়েবসাইট দেখা যেতে পারে?

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.